Skip to main content
  বিশ্বজুড়ে ভাইরাল ইংল্যান্ডের এক মসজিদ, কারণটা ব্যতিক্রম   অনলাইন ডেস্ক  অনলাইন ভার্সন  সংগৃহীত ছবি বিশ্বজুড়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে উঠেছে ইংল্যান্ডের ব্র্যাডফোর্ড শহরের একটি মসজিদ। হিটন রোডে অবস্থিত জামিয়া উসমানিয়া মসজিদ আলোচনায় এসেছে ধর্মীয় কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি ব্যতিক্রমী এক সামাজিক উদ্যোগের কারণে। নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের জামাতের পাশাপাশি এই মসজিদে চালু করা হয়েছে প্রবীণ পুরুষদের জন্য পিলাটিস ক্লাস। টিকটক ও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া এসব ভিডিও ইতিমধ্যে ২০ লাখের বেশি ভিউ পেয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আসা ইতিবাচক মন্তব্যে মসজিদ কর্তৃপক্ষ অভিভূত। অনেকেই বলছেন, একটি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান কীভাবে সামাজিক সুস্থতার কেন্দ্র হতে পারে, ব্র্যাডফোর্ডের এই উদ্যোগ তার উজ্জ্বল উদাহরণ। মসজিদ কমিটির সেক্রেটারি মোহাম্মদ ইলিয়াস বিবিসিকে বলেন, এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য ছিল প্রবীণ পুরুষদের একাকিত্ব দূর করা। তাঁর ভাষায়, মসজিদ কেবল নামাজের জায়গা নয়, এটিকে একটি কমিউনিটি হাবে রূপান্তর করার স্বপ্ন থেকেই এই উদ্যোগ। অনেক বয়স্ক মানুষ সারাদিন ঘরে একা থাকেন, এখানে এসে তাঁরা শরীরচর্চার পাশাপাশি কথ...

 শনিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫


ট্রাম্পের সঙ্গে ড. ইউনূসের সাক্ষাৎ

 অনলাইন ডেস্ক
 অনলাইন ভার্সন
ট্রাম্পের সঙ্গে ড. ইউনূসের সাক্ষাৎ

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তাদের সাক্ষাতের একটি ছবি প্রকাশ করেছে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং। 

ছবিতে ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ফার্স্টলেডি মেলানিয়া ট্রাম্পের সঙ্গে ড. ইউনূস ও তার মেয়ে দীনা ইউনূসকে দেখা যায়। গত ২৩ সেপ্টেম্বর লোটে নিউইয়র্ক প্যালেসে ট্রাম্পের অভ্যর্থনা নৈশভোজে এই ছবি তোলা হয়।

জাতিসংঘের ৮০তম সাধারণ পরিষদ অধিবেশনে আগত বিশ্বনেতাদের সম্মানে ওই নৈশভোজের আয়োজন করা হয়। অভ্যর্থনা অনুষ্ঠানে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান ড. ইউনূস।

প্রেস উইংয়ের পাঠানো এক বার্তায় বলা হয়, ২৩ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে মার্কিন প্রেসিডেন্ট আয়োজিত এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং তার মেয়ে দীনা ইউনূসের সঙ্গে ছবি তোলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ফার্স্টলেডি মেলানিয়া ট্রাম্প।

Comments

Popular posts from this blog

  রাজধানীতে মা-মেয়ে হত্যার ঘটনায় সেই গৃহকর্মী গ্রেফতার   নিজস্ব প্রতিবেদক  অনলাইন ভার্সন  গৃহকর্মী আয়শা / সংগৃহীত ছবি রাজধানীর মোহাম্মদপুরে জোড়াখুনের ঘটনায় জড়িত গৃহকর্মী আয়েশাকে ঝালকাঠি থেকে গ্রেফতার করেছে মোহাম্মদপুর থানা পুলিশ। বুধবার দুপুরে সংবাদ মাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে পুলিশ।  এর আগে, সোমবার লায়লা ফিরোজ (৪৮) ও তার মেয়ে নাফিসা লাওয়াল বিনতে আজিজকে (১৫) হত্যা করে পালিয়ে যান কথিত গৃহকর্মী আয়েশা।  এ ঘটনায় ওই দিন রাতেই নিহত লায়লা ফিরোজের স্বামী আ জ ম আজিজুল ইসলাম বাদী হয়ে গৃহকর্মীকে অভিযুক্ত করে মোহাম্মদপুর থানায় হত্যা মামলা করেন।   মামলার বাদী আজিজুল ইসলাম উত্তরার সানবিমস স্কুলের পদার্থবিজ্ঞানের শিক্ষক। স্ত্রী ও একমাত্র মেয়েকে নিয়ে মোহাম্মদপুরের ওই বাসায় প্রায় ১৩ বছর ধরে বসবাস করে আসছিলেন তিনি। তাদের গ্রামের বাড়ি নাটোরে। নিহতদের স্বজনরা জানিয়েছিলেন, গৃহকর্মী আয়েশা মাত্র চার দিন আগে কাজ শুরু করেছিলেন। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, সেদিন সকাল ৭টা ৫১ মিনিটে তিনি বোরকা পরে লিফটে উঠে সপ্তম তলায় যান। পরে সকাল ৯টা ৩৫ মিনিটে মুখে মাস্ক, কাঁধে একটি ব্যাগ এবং...
বুধবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ এশিয়া কাপ ফাইনালের মিশনে আজ ভারতের মুখোমুখি বাংলাদেশ   স্পোর্টস ডেস্ক  অনলাইন ভার্সন  ছবি: ক্রিকইনফো এশিয়া কাপের সুপার ফোরে আজ ফাইনালের টিকিটের লড়াইয়ে ভারতের মুখোমুখি বাংলাদেশ। দুই দলই জয়ের জন্য মরিয়া হলেও, কাগজে-কলমে এবং পরিসংখ্যানে অনেকটাই এগিয়ে আছে টিম ইন্ডিয়া। অতীতের ফলাফল বলছে, এই দ্বৈরথে একতরফা আধিপত্য দেখিয়ে এসেছে ভারত। তবে মাঠের লড়াই যে সব সময় পরিসংখ্যান মেনে চলে না, সেটাও প্রমাণের সুযোগ থাকছে বাংলাদেশের সামনে। টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে এখনও পর্যন্ত ১৭ বার মুখোমুখি হয়েছে ভারত ও বাংলাদেশ। তার মধ্যে ১৬ বারই জিতেছে ভারত। শুধু একটি ম্যাচে জয়ের স্বাদ পেয়েছে টাইগাররা। তাও বছর ছয়েক আগে। শেষবার দুই দল টি-টোয়েন্টিতে মুখোমুখি হয়েছিল ২০২৪ সালে হায়দরাবাদে। সেই ম্যাচে ১৩৩ রানের বিশাল জয় পায় ভারত। এশিয়া কাপে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি ফরম্যাট মিলিয়ে মোট ১৫ বার মুখোমুখি হয়েছে ভারত-বাংলাদেশ। এর মধ্যে ১৩ বার জিতেছে ভারত। অপরদিকে বাংলাদেশ জয় পেয়েছে মাত্র ২ ম্যাচে। পরিসংখ্যান যদিও ভারতের পক্ষেই কথা বলছে, তবে বাংলাদেশ একেবারেই যে হার মানছে না, তার প্রমাণ ২০২৩ সালের ও...

মহানবী (সা.) যেভাবে মানবজাতির জন্য রহমতস্বরূপ

    আপডেট: ০৭:৫২, সোমবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫     জাওয়াদ মাহবুব  অনলাইন ভার্সন মুহাম্মদ (সা.) এমন একসময় পৃথিবীতে আগমন করেছিলেন, যখন পৃথিবী ঐশী আলো ও শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হয়েছিল। ফলে পার্থিব জীবনের সব আয়োজন বিদ্যমান থাকলেও সাম্য, মানবিকতা, মনুষ্যত্ব ও কল্যাণকামিতার মতো গুণাবলি হারিয়ে গিয়েছিল। মানুষরূপী মানুষ থাকলেও পৃথিবীতে মনুষ্যত্ব ছিল না, মানুষ মানুষের কাছে নিরাপদ ছিল না। ঐতিহাসিকরা এই সময়কে আইয়ামে জাহিলিয়্যাত বা অন্ধকার যুগ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। মহানবী (সা.) তখন মানবজাতির জন্য মহাত্রাতা হিসেবে আগমন করেন। মহান আল্লাহ বলেন, ‘আমি তো আপনাকে বিশ্বজগতের প্রতি শুধু রহমতরূপেই প্রেরণ করেছি।’ (সুরা : আম্বিয়া, আয়াত : ১০৭) উল্লিখিত আয়াতের ব্যাখ্যায় আলেমরা বলেন, শুধু নবী হিসেবে মুহাম্মদ (সা.)-এর আগমনই নয়, বরং সত্ত্বাগতভাবে তিনি নিজেও বিশ্বজগতের জন্য রহমত ছিলেন। রহমত শব্দের আভিধানিক অর্থ দয়া ও অনুগ্রহ। পরিভাষায় রহমত বলা হয়, অন্যের প্রতি অন্তরের এমন মায়া, ভালোবাসা ও ভাব, যা অনুগ্রহ করতে উৎসাহিত করে। সুতরাং নবীজি (সা.)-এর রহমত হওয়ার অর্থ হলো বিশ্বজগতের প্রতি তাঁর কল্যাণকামিতা...