Skip to main content
  বিশ্বজুড়ে ভাইরাল ইংল্যান্ডের এক মসজিদ, কারণটা ব্যতিক্রম   অনলাইন ডেস্ক  অনলাইন ভার্সন  সংগৃহীত ছবি বিশ্বজুড়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে উঠেছে ইংল্যান্ডের ব্র্যাডফোর্ড শহরের একটি মসজিদ। হিটন রোডে অবস্থিত জামিয়া উসমানিয়া মসজিদ আলোচনায় এসেছে ধর্মীয় কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি ব্যতিক্রমী এক সামাজিক উদ্যোগের কারণে। নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের জামাতের পাশাপাশি এই মসজিদে চালু করা হয়েছে প্রবীণ পুরুষদের জন্য পিলাটিস ক্লাস। টিকটক ও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া এসব ভিডিও ইতিমধ্যে ২০ লাখের বেশি ভিউ পেয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আসা ইতিবাচক মন্তব্যে মসজিদ কর্তৃপক্ষ অভিভূত। অনেকেই বলছেন, একটি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান কীভাবে সামাজিক সুস্থতার কেন্দ্র হতে পারে, ব্র্যাডফোর্ডের এই উদ্যোগ তার উজ্জ্বল উদাহরণ। মসজিদ কমিটির সেক্রেটারি মোহাম্মদ ইলিয়াস বিবিসিকে বলেন, এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য ছিল প্রবীণ পুরুষদের একাকিত্ব দূর করা। তাঁর ভাষায়, মসজিদ কেবল নামাজের জায়গা নয়, এটিকে একটি কমিউনিটি হাবে রূপান্তর করার স্বপ্ন থেকেই এই উদ্যোগ। অনেক বয়স্ক মানুষ সারাদিন ঘরে একা থাকেন, এখানে এসে তাঁরা শরীরচর্চার পাশাপাশি কথ...

সঞ্চয়পত্র নাকি এফডিআর, কোথায় বিনিয়োগ করা উচিত

 


হাতে কিছু টাকা জমে গেলে অনেকের মনে প্রথমেই আসে—‘এ টাকা কোথায় রাখব? কীভাবে বিনিয়োগ করব?’ কেউ কেউ মনে করেন, নিরাপদ উপায় হলো সঞ্চয়পত্র কেনা। আবার অনেকের ধারণা, ব্যাংকে এফডিআর করলে টাকা সহজে ভাঙানো যায়, প্রয়োজনে ঋণও নেওয়া যায়। তাই কোন পথে গেলে লাভ বেশি, ঝুঁকি কম—তা নিয়ে দ্বিধাদ্বন্দ্ব থেকেই যায়।


সঞ্চয়পত্র আর এফডিআর—দুই ব্যবস্থারই রয়েছে সুবিধা ও সীমাবদ্ধতা। সঞ্চয়পত্রে সরকারি গ্যারান্টি থাকায় ঝুঁকি নেই, আবার সুদের হারও

তুলনামূলক বেশি।

অন্যদিকে এফডিআরে সহজে টাকা তোলার সুযোগ আছে, মাসিক বা ত্রৈমাসিক আয়ের সুবিধাও পাওয়া যায়। তবে সুদের হার সঞ্চয়পত্রের চেয়ে কম। বিশ্লেষকেরা তাই পরামর্শ দেন—পুরো টাকা এক জায়গায় না রেখে ভাগ করে বিনিয়োগ করলে ঝুঁকি কমবে, পাশাপাশি নিশ্চিত আয়ও মিলবে।

সঞ্চয়পত্র
মধ্যবিত্ত পরিবারের কাছে সঞ্চয়পত্র সবচেয়ে জনপ্রিয়। কেননা, ঝামেলা ছাড়াই বিনিয়োগ করা যায় এবং এখনো এটি আস্থার জায়গা ধরে রেখেছে।


সুবিধা

সরকারি গ্যারান্টি থাকায় টাকার নিরাপত্তা নিশ্চিত।

  • এফডিআরের তুলনায় সুদের হার বেশি (গড়ে প্রায় ১২%)।
  • দীর্ঘমেয়াদে নিশ্চিত রিটার্ন।
  • কর রেয়াত সুবিধা থাকে, ফলে আয়করের চাপ কমে।
  • প্রয়োজনে ভেঙে নেওয়ার সুযোগ আছে।

অসুবিধা

  • নির্দিষ্ট সীমার বেশি কেনা যায় না (পরিবার সঞ্চয়পত্র সর্বোচ্চ ৪৫ লাখ, পেনশনার ৫০ লাখ)।
  • মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার আগে ভাঙালে মুনাফা কমে যায়।
  • মুনাফা থেকে উৎসে কর কাটা হয়।
  • তাৎক্ষণিক নগদায়নের সুযোগ সীমিত।

এফডিআর
এফডিআর হলো ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানে একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য টাকা রেখে সুদ পাওয়া।

সুবিধা

  • মেয়াদ বেছে নেওয়ার সুযোগ আছে (৩ মাস থেকে ৫ বছর পর্যন্ত)।
  • এফডিআরের বিপরীতে ঋণ নেওয়া যায়—সাধারণত ৯০% পর্যন্ত।
  • মাসিক বা ত্রৈমাসিক সুদ পাওয়ার ব্যবস্থা আছে।
  • প্রয়োজন হলে তুলনামূলকভাবে সহজে ভাঙানো যায়।

অসুবিধা

  • সাধারণত সুদের হার কম (৬–৯%)।
  • ব্যাংকের আর্থিক অবস্থার ওপর নির্ভরশীল।
  • সময়ের আগে ভাঙালে সুদ কমে যায়

Comments

Popular posts from this blog

  রাজধানীতে মা-মেয়ে হত্যার ঘটনায় সেই গৃহকর্মী গ্রেফতার   নিজস্ব প্রতিবেদক  অনলাইন ভার্সন  গৃহকর্মী আয়শা / সংগৃহীত ছবি রাজধানীর মোহাম্মদপুরে জোড়াখুনের ঘটনায় জড়িত গৃহকর্মী আয়েশাকে ঝালকাঠি থেকে গ্রেফতার করেছে মোহাম্মদপুর থানা পুলিশ। বুধবার দুপুরে সংবাদ মাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে পুলিশ।  এর আগে, সোমবার লায়লা ফিরোজ (৪৮) ও তার মেয়ে নাফিসা লাওয়াল বিনতে আজিজকে (১৫) হত্যা করে পালিয়ে যান কথিত গৃহকর্মী আয়েশা।  এ ঘটনায় ওই দিন রাতেই নিহত লায়লা ফিরোজের স্বামী আ জ ম আজিজুল ইসলাম বাদী হয়ে গৃহকর্মীকে অভিযুক্ত করে মোহাম্মদপুর থানায় হত্যা মামলা করেন।   মামলার বাদী আজিজুল ইসলাম উত্তরার সানবিমস স্কুলের পদার্থবিজ্ঞানের শিক্ষক। স্ত্রী ও একমাত্র মেয়েকে নিয়ে মোহাম্মদপুরের ওই বাসায় প্রায় ১৩ বছর ধরে বসবাস করে আসছিলেন তিনি। তাদের গ্রামের বাড়ি নাটোরে। নিহতদের স্বজনরা জানিয়েছিলেন, গৃহকর্মী আয়েশা মাত্র চার দিন আগে কাজ শুরু করেছিলেন। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, সেদিন সকাল ৭টা ৫১ মিনিটে তিনি বোরকা পরে লিফটে উঠে সপ্তম তলায় যান। পরে সকাল ৯টা ৩৫ মিনিটে মুখে মাস্ক, কাঁধে একটি ব্যাগ এবং...
বুধবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ এশিয়া কাপ ফাইনালের মিশনে আজ ভারতের মুখোমুখি বাংলাদেশ   স্পোর্টস ডেস্ক  অনলাইন ভার্সন  ছবি: ক্রিকইনফো এশিয়া কাপের সুপার ফোরে আজ ফাইনালের টিকিটের লড়াইয়ে ভারতের মুখোমুখি বাংলাদেশ। দুই দলই জয়ের জন্য মরিয়া হলেও, কাগজে-কলমে এবং পরিসংখ্যানে অনেকটাই এগিয়ে আছে টিম ইন্ডিয়া। অতীতের ফলাফল বলছে, এই দ্বৈরথে একতরফা আধিপত্য দেখিয়ে এসেছে ভারত। তবে মাঠের লড়াই যে সব সময় পরিসংখ্যান মেনে চলে না, সেটাও প্রমাণের সুযোগ থাকছে বাংলাদেশের সামনে। টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে এখনও পর্যন্ত ১৭ বার মুখোমুখি হয়েছে ভারত ও বাংলাদেশ। তার মধ্যে ১৬ বারই জিতেছে ভারত। শুধু একটি ম্যাচে জয়ের স্বাদ পেয়েছে টাইগাররা। তাও বছর ছয়েক আগে। শেষবার দুই দল টি-টোয়েন্টিতে মুখোমুখি হয়েছিল ২০২৪ সালে হায়দরাবাদে। সেই ম্যাচে ১৩৩ রানের বিশাল জয় পায় ভারত। এশিয়া কাপে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি ফরম্যাট মিলিয়ে মোট ১৫ বার মুখোমুখি হয়েছে ভারত-বাংলাদেশ। এর মধ্যে ১৩ বার জিতেছে ভারত। অপরদিকে বাংলাদেশ জয় পেয়েছে মাত্র ২ ম্যাচে। পরিসংখ্যান যদিও ভারতের পক্ষেই কথা বলছে, তবে বাংলাদেশ একেবারেই যে হার মানছে না, তার প্রমাণ ২০২৩ সালের ও...

মহানবী (সা.) যেভাবে মানবজাতির জন্য রহমতস্বরূপ

    আপডেট: ০৭:৫২, সোমবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫     জাওয়াদ মাহবুব  অনলাইন ভার্সন মুহাম্মদ (সা.) এমন একসময় পৃথিবীতে আগমন করেছিলেন, যখন পৃথিবী ঐশী আলো ও শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হয়েছিল। ফলে পার্থিব জীবনের সব আয়োজন বিদ্যমান থাকলেও সাম্য, মানবিকতা, মনুষ্যত্ব ও কল্যাণকামিতার মতো গুণাবলি হারিয়ে গিয়েছিল। মানুষরূপী মানুষ থাকলেও পৃথিবীতে মনুষ্যত্ব ছিল না, মানুষ মানুষের কাছে নিরাপদ ছিল না। ঐতিহাসিকরা এই সময়কে আইয়ামে জাহিলিয়্যাত বা অন্ধকার যুগ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। মহানবী (সা.) তখন মানবজাতির জন্য মহাত্রাতা হিসেবে আগমন করেন। মহান আল্লাহ বলেন, ‘আমি তো আপনাকে বিশ্বজগতের প্রতি শুধু রহমতরূপেই প্রেরণ করেছি।’ (সুরা : আম্বিয়া, আয়াত : ১০৭) উল্লিখিত আয়াতের ব্যাখ্যায় আলেমরা বলেন, শুধু নবী হিসেবে মুহাম্মদ (সা.)-এর আগমনই নয়, বরং সত্ত্বাগতভাবে তিনি নিজেও বিশ্বজগতের জন্য রহমত ছিলেন। রহমত শব্দের আভিধানিক অর্থ দয়া ও অনুগ্রহ। পরিভাষায় রহমত বলা হয়, অন্যের প্রতি অন্তরের এমন মায়া, ভালোবাসা ও ভাব, যা অনুগ্রহ করতে উৎসাহিত করে। সুতরাং নবীজি (সা.)-এর রহমত হওয়ার অর্থ হলো বিশ্বজগতের প্রতি তাঁর কল্যাণকামিতা...