Skip to main content
  বিশ্বজুড়ে ভাইরাল ইংল্যান্ডের এক মসজিদ, কারণটা ব্যতিক্রম   অনলাইন ডেস্ক  অনলাইন ভার্সন  সংগৃহীত ছবি বিশ্বজুড়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে উঠেছে ইংল্যান্ডের ব্র্যাডফোর্ড শহরের একটি মসজিদ। হিটন রোডে অবস্থিত জামিয়া উসমানিয়া মসজিদ আলোচনায় এসেছে ধর্মীয় কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি ব্যতিক্রমী এক সামাজিক উদ্যোগের কারণে। নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের জামাতের পাশাপাশি এই মসজিদে চালু করা হয়েছে প্রবীণ পুরুষদের জন্য পিলাটিস ক্লাস। টিকটক ও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া এসব ভিডিও ইতিমধ্যে ২০ লাখের বেশি ভিউ পেয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আসা ইতিবাচক মন্তব্যে মসজিদ কর্তৃপক্ষ অভিভূত। অনেকেই বলছেন, একটি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান কীভাবে সামাজিক সুস্থতার কেন্দ্র হতে পারে, ব্র্যাডফোর্ডের এই উদ্যোগ তার উজ্জ্বল উদাহরণ। মসজিদ কমিটির সেক্রেটারি মোহাম্মদ ইলিয়াস বিবিসিকে বলেন, এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য ছিল প্রবীণ পুরুষদের একাকিত্ব দূর করা। তাঁর ভাষায়, মসজিদ কেবল নামাজের জায়গা নয়, এটিকে একটি কমিউনিটি হাবে রূপান্তর করার স্বপ্ন থেকেই এই উদ্যোগ। অনেক বয়স্ক মানুষ সারাদিন ঘরে একা থাকেন, এখানে এসে তাঁরা শরীরচর্চার পাশাপাশি কথ...

 

সিক্স প্যাকের ঘোরে যে বিপদ ডেকে আনছেন তারা

 অনলাইন ডেস্ক
 অনলাইন ভার্সন
সিক্স প্যাকের ঘোরে যে বিপদ ডেকে আনছেন তারা

কোভিড মহামারির সময় বাড়তি ওজন কমাতে গিয়ে বহু চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন ব্রাজিলের আইনজীবী গ্যাব্রিয়েলা (ছদ্মনাম)। নিয়মিত জিম, কঠোর ডায়েট; সব কিছু করেও কয়েক কেজি ওজন কমছিল না। বন্ধুদের পরামর্শে শেষমেশ তিনি ভরসা করেন প্রেসক্রিপশন ছাড়াই কেনা ওজন কমানোর ইনজেকশনের ওপর।

গ্যাব্রিয়েলার মতে, প্রথম ডোজ নেওয়ার পর থেকেই খাদ্যাভ্যাসে নাটকীয় পরিবর্তন আসে। সামান্য খাবারেই পেট ভরা মনে হতে থাকে। তবে ইনজেকশন বন্ধ করলেই আবার বাড়তে থাকে তার ওজন। এই কারণে প্রায় এক বছর ধরে তিনি প্রয়োজন অনুযায়ী কখনও ইনজেকশন নেন বলে জানান লন্ডনের খাদ্য ব্যবসায়ী অ্যান্ড্রুও (ছদ্মনাম)। তার ওজন স্বাভাবিক মাত্রার কাছাকাছি হলেও অনলাইন ফার্মেসি থেকে সহজেই তিনি  ইনজেকশন পেয়ে যান। সামাজিক অনুষ্ঠান বা ছুটির পরিকল্পনার সময় শরীরের গঠন বজায় রাখতে ইনজেকশন নেওয়া বা না নেওয়ার এই বিষয়টি এখন তার অভ্যাসে পরিণত হয়েছে।

ওজন কমানোর এই ইনজেকশনগুলো মূলত ডায়াবেটিস বা স্থূলতা চিকিৎসার জন্য অনুমোদিত। চিকিৎসকের তত্ত্বাবধান ছাড়া, বিশেষত যাদের চিকিৎসাগত প্রয়োজন নেই; এমন মানুষদের ব্যবহারে ঝুঁকি বাড়তে পারে বলে সতর্ক করছেন বিশেষজ্ঞরা।

চিকিৎসকরা জানান, অনিয়মিতভাবে ইনজেকশন নেওয়ায় বিরল পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া বাড়তে পারে। বমি, পেটব্যথা, ডায়রিয়ার মতো সাধারণ প্রতিক্রিয়া ছাড়াও পিত্তথলির জটিলতা বা অগ্ন্যাশয়ের প্রদাহ হতে পারে। ওজন কমার সঙ্গে সঙ্গে পেশি ক্ষয়ের আশঙ্কা থাকে, যা পাতলা গড়নের মানুষদের ক্ষেত্রে বেশি।

ইনজেকশন বন্ধ করলে দেহের স্বাভাবিক ক্ষুধা সঙ্কেত ফিরে আসে, ফলে দ্রুত ওজন বেড়ে যেতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা আরও বলেন, যারা শুধু চেহারার সৌন্দর্য বা সামাজিক চাপে এসব ওষুধ নিচ্ছেন, তাদের মধ্যে মানসিক অস্থিরতাও বাড়তে দেখা যায়। ওজন ফের বেড়ে গেলে নিজেদের ব্যর্থ মনে করাসহ নানা হতাশা তৈরি হয়।

২০২৫ সালের শুরুতে যুক্তরাজ্যের নিয়ন্ত্রক সংস্থা অনলাইন ফার্মেসিগুলোর ওপর কড়াকড়ি আরোপ করেছে। ব্রাজিলেও অনুরূপ নিয়ম জোরদার হয়েছে। তবুও গ্যাব্রিয়েলা ও অ্যান্ড্রু দু’জনই জানিয়েছেন, ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও তারা এই ইনজেকশন ব্যবহার চালিয়ে যেতে চান।

গ্যাব্রিয়েলা অকপটে বলেন, হয়তো আমি এটার ওপর নির্ভরশীল হয়ে গেছি। অ্যান্ড্রুর মতে, যতদিন প্রয়োজন, ততদিন ব্যবহার করব, এটা আমার কাছে হিসেব করা ঝুঁকি।

সূত্র : বিবিসি

Comments

Popular posts from this blog

  রাজধানীতে মা-মেয়ে হত্যার ঘটনায় সেই গৃহকর্মী গ্রেফতার   নিজস্ব প্রতিবেদক  অনলাইন ভার্সন  গৃহকর্মী আয়শা / সংগৃহীত ছবি রাজধানীর মোহাম্মদপুরে জোড়াখুনের ঘটনায় জড়িত গৃহকর্মী আয়েশাকে ঝালকাঠি থেকে গ্রেফতার করেছে মোহাম্মদপুর থানা পুলিশ। বুধবার দুপুরে সংবাদ মাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে পুলিশ।  এর আগে, সোমবার লায়লা ফিরোজ (৪৮) ও তার মেয়ে নাফিসা লাওয়াল বিনতে আজিজকে (১৫) হত্যা করে পালিয়ে যান কথিত গৃহকর্মী আয়েশা।  এ ঘটনায় ওই দিন রাতেই নিহত লায়লা ফিরোজের স্বামী আ জ ম আজিজুল ইসলাম বাদী হয়ে গৃহকর্মীকে অভিযুক্ত করে মোহাম্মদপুর থানায় হত্যা মামলা করেন।   মামলার বাদী আজিজুল ইসলাম উত্তরার সানবিমস স্কুলের পদার্থবিজ্ঞানের শিক্ষক। স্ত্রী ও একমাত্র মেয়েকে নিয়ে মোহাম্মদপুরের ওই বাসায় প্রায় ১৩ বছর ধরে বসবাস করে আসছিলেন তিনি। তাদের গ্রামের বাড়ি নাটোরে। নিহতদের স্বজনরা জানিয়েছিলেন, গৃহকর্মী আয়েশা মাত্র চার দিন আগে কাজ শুরু করেছিলেন। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, সেদিন সকাল ৭টা ৫১ মিনিটে তিনি বোরকা পরে লিফটে উঠে সপ্তম তলায় যান। পরে সকাল ৯টা ৩৫ মিনিটে মুখে মাস্ক, কাঁধে একটি ব্যাগ এবং...
বুধবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ এশিয়া কাপ ফাইনালের মিশনে আজ ভারতের মুখোমুখি বাংলাদেশ   স্পোর্টস ডেস্ক  অনলাইন ভার্সন  ছবি: ক্রিকইনফো এশিয়া কাপের সুপার ফোরে আজ ফাইনালের টিকিটের লড়াইয়ে ভারতের মুখোমুখি বাংলাদেশ। দুই দলই জয়ের জন্য মরিয়া হলেও, কাগজে-কলমে এবং পরিসংখ্যানে অনেকটাই এগিয়ে আছে টিম ইন্ডিয়া। অতীতের ফলাফল বলছে, এই দ্বৈরথে একতরফা আধিপত্য দেখিয়ে এসেছে ভারত। তবে মাঠের লড়াই যে সব সময় পরিসংখ্যান মেনে চলে না, সেটাও প্রমাণের সুযোগ থাকছে বাংলাদেশের সামনে। টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে এখনও পর্যন্ত ১৭ বার মুখোমুখি হয়েছে ভারত ও বাংলাদেশ। তার মধ্যে ১৬ বারই জিতেছে ভারত। শুধু একটি ম্যাচে জয়ের স্বাদ পেয়েছে টাইগাররা। তাও বছর ছয়েক আগে। শেষবার দুই দল টি-টোয়েন্টিতে মুখোমুখি হয়েছিল ২০২৪ সালে হায়দরাবাদে। সেই ম্যাচে ১৩৩ রানের বিশাল জয় পায় ভারত। এশিয়া কাপে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি ফরম্যাট মিলিয়ে মোট ১৫ বার মুখোমুখি হয়েছে ভারত-বাংলাদেশ। এর মধ্যে ১৩ বার জিতেছে ভারত। অপরদিকে বাংলাদেশ জয় পেয়েছে মাত্র ২ ম্যাচে। পরিসংখ্যান যদিও ভারতের পক্ষেই কথা বলছে, তবে বাংলাদেশ একেবারেই যে হার মানছে না, তার প্রমাণ ২০২৩ সালের ও...

মহানবী (সা.) যেভাবে মানবজাতির জন্য রহমতস্বরূপ

    আপডেট: ০৭:৫২, সোমবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫     জাওয়াদ মাহবুব  অনলাইন ভার্সন মুহাম্মদ (সা.) এমন একসময় পৃথিবীতে আগমন করেছিলেন, যখন পৃথিবী ঐশী আলো ও শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হয়েছিল। ফলে পার্থিব জীবনের সব আয়োজন বিদ্যমান থাকলেও সাম্য, মানবিকতা, মনুষ্যত্ব ও কল্যাণকামিতার মতো গুণাবলি হারিয়ে গিয়েছিল। মানুষরূপী মানুষ থাকলেও পৃথিবীতে মনুষ্যত্ব ছিল না, মানুষ মানুষের কাছে নিরাপদ ছিল না। ঐতিহাসিকরা এই সময়কে আইয়ামে জাহিলিয়্যাত বা অন্ধকার যুগ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। মহানবী (সা.) তখন মানবজাতির জন্য মহাত্রাতা হিসেবে আগমন করেন। মহান আল্লাহ বলেন, ‘আমি তো আপনাকে বিশ্বজগতের প্রতি শুধু রহমতরূপেই প্রেরণ করেছি।’ (সুরা : আম্বিয়া, আয়াত : ১০৭) উল্লিখিত আয়াতের ব্যাখ্যায় আলেমরা বলেন, শুধু নবী হিসেবে মুহাম্মদ (সা.)-এর আগমনই নয়, বরং সত্ত্বাগতভাবে তিনি নিজেও বিশ্বজগতের জন্য রহমত ছিলেন। রহমত শব্দের আভিধানিক অর্থ দয়া ও অনুগ্রহ। পরিভাষায় রহমত বলা হয়, অন্যের প্রতি অন্তরের এমন মায়া, ভালোবাসা ও ভাব, যা অনুগ্রহ করতে উৎসাহিত করে। সুতরাং নবীজি (সা.)-এর রহমত হওয়ার অর্থ হলো বিশ্বজগতের প্রতি তাঁর কল্যাণকামিতা...